Wellcome to National Portal
Text size A A A
Color C C C C

সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৮ নভেম্বর ২০২২

এক নজরে

খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান৷ পরিকল্পিত নগরায়ন ও আধুনিক খুলনা গড়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ১৯৬১ সালের ২১ জানুয়ারী এই প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি৷ জন্মের সূচনালগ্ন থেকেই কেডিএ অর্ডিন্যান্স ১৯৬১ এর  ক্ষমতাবলে প্রতিষ্ঠানটি নগর পরিকল্পনা, উন্নয়নে অংশগ্রহন এবং অপরিকল্পিত উন্নয়ন নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে৷

নগর পরিকল্পনার পাশাপাশি আধুনিক ও পরিকল্পিত খুলনা শহর বিনির্মাণে কেডিএ’র রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান।  আবাসন সমস্যার সমাধান, বাণিজ্যিক ও অর্থনেতিক সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি, যানজট নিরসন ও যোগাযোগ ব্যবস্হা সহজতরকরণ ইত্যাদি নাগরিক সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে খুউক উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরিকল্পিত আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকার উন্নয়ন, সড়ক নির্মাণ, মার্কেট নির্মাণ, বাসটার্মিনাল নির্মাণ, কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ, শিশুপার্ক নির্মাণ ইত্যাদি ৫০টির ও বেশি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প সাফল্যের সাথে বাস্তবায়ন করেছে।  ফলে খুলনা মাস্টার প্ল্যান এলাকায় নগরায়নের নুতন ধারার সৃষ্টি হয়েছে।

কেডিএ আইন ২০১৮ এর আলোকে কেডিএর সুযোগ্য চেয়ারম্যান, বোর্ড সদস্যবৃন্দ এবং ১০টি শাখার অধিনে ২৫৯ জন জনবল নিয়ে কেডিএ তার আওতাধীন ৮২৪ বর্গঃকিঃমিঃ (নওয়াপাড়া হতে মংলা পর্যন্ত) এলাকার জনগনের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য দীর্ঘ ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের গৌরবান্বিত ইতিহাস নিয়ে বাংলাদেশের জন্ম। সেই বাংলাদেশের রূপকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর অত্যন্ত প্রিয় এক শহর খুলনা । ১৯৪২ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু ৬৬ বার খুলনা সফর করেন। পরিকল্পিত নগরায়নের মূলমন্ত্রকে ধারণ করে ১৯৬১ সনের ২১জানুয়ারী “The Khulna Development Authority Ordinance 1961”বলে আজকের খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ৬১ বছরে সংস্থাটির রয়েছে অনেক অর্জন। আর এ অর্জনকে আরও বেগবান করতে বিগত ২৯ জুলাই, ২০১৮ তারিখ প্রনীত হয়েছে “খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৮” যা অনুসরণ করে বর্তমানে সংস্থাটি পরিচালিত হচ্ছে ।উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার মূলমন্ত্র অর্থাৎ মহাপরিকল্পনা প্রনয়নের মাধ্যমে ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার, নগরায়ন ও অপরিকল্পিত স্থাপনা নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে একটি রেগুলেটরী বডি হিসেবে সংস্থাটি কাজ করছে। চেয়ারম্যান মহোদয় এর নেতৃত্বাধীনে রয়েছে তেইশ সদস্যের একটি শক্তিশালী বোর্ড, দশটি শাখা ও অনুমোদিত বিভিন্ন গ্রেডের ৪৮০ জন জনবল। বর্তমানে খুলনা বিভাগের ৩ টি জেলার জুড়ে১২ টি উপজেলায়প্রায় ৮২৪.৭৬ বর্গকিলোমিটার  এলাকা কেডিএ এর অধীক্ষেত্র। যারউত্তরে নওয়াপাড়া, দক্ষিণে মংলা পোর্ট পরশভা,পূর্বে অভয়নগর, দিঘলিয়া, রূপসা ও পশ্চিমে ডুমুরিয়া উপজেলার কৈয়াবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত ।

কেডিএ মূলত চারটি শাখার মাধ্যমে সরাসরি জনসাধারণকে সেবা প্রদান করে থাকে।

পরিকল্পনা শাখা, অথরাইজড শাখা, বৈষয়িক শাখা, এবং প্রকৌশল শাখা।

  1. পরিকল্পনা শাখাএর মাধ্যমে মাষ্টারপ্ল্যান অনুসরণ করে ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র ও ঋণ গ্রহণের জন্য জমি সংক্রান্ত তথ্য পত্র প্রদান, মাষ্টার প্ল্যানের ম্যাপ/বই সরবরাহ ও বেসরকারী আবাসিক প্রকর্ল্পে উদ্যোক্তা/পরামর্শক নিবন্ধন ও প্রকল্প অনুমোদন করে থাকে।
  2. অথরাইজড শাখাএর মাধ্যমে ব্যক্তি মালিকানাধীন, সরকারী/বেসরকারী দপ্তর/সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের ইমারত নির্মাণ/পুকুর খননের নকশা অনুমোদন করে থাকে। এছাড়াও অপরিকল্পিত নগরায়ন নিয়ন্ত্রনের লক্ষে অননুমোদিত ও খেলাপী নির্মাণ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
  3. বৈষয়িক শাখাএর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্লট বরাদ্দ, দখল, লীজ দলিল সম্পাদন, নামজারীর জন্য তথ্যপ্রদান, ঋণ গ্রহণের অনাপত্তিপত্র, ওয়ারেশ কায়েম, প্লট হস্তান্তর, ষ্টল বরাদ্দ, দখল ও লীজ সম্পাদন সহ আনুষাঙ্গীক কাজ করে থাকে।
  4. এছাড়া প্রকৌশল শাখাএর মাধ্যমে নিজস্ব ও জিওবি অর্থে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও নিজস্ব স্থাপনার মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

এই চারটি শাখার মাধ্যমে সরাসরি জনসাধারণকে সেবা প্রদান করার পাশাপাশি সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক কর্মকান্ড সুষ্ঠ পরিচালনার লক্ষেখুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরিন ভাবে দশটি শাখা জুড়ে পরিচালিত হয়।

খুলনার উন্নয়নের লক্ষ্যে কেডিএ ৫০টির অধিক বিভিন্ন জনকল্যানমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।

 আবাসনের ক্ষেত্রে কেডিএ এর রয়েছে এক বিশাল সাফল্য। সংস্থাটি এ যাবত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে ৩৫২ একর জমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন করে দশটি আবাসিক এলাকায় প্রায় ৪০০০ এর অধিক বিভিন্ন সাইজের প্লট জনসাধারণের মধ্যে বরাদ্দ প্রদান করেছে। যার মধ্যে রয়েছে

  • •সোনাডাঙ্গা আবাসিকএলাকা ১ম,২য় ও ৩য় অংশ
  • •নিরালা আবাসিক এলাকা
  • •মুজগুন্নি আবাসিক এলাকা
  • •দৌলতপুর আবাসিক এলাকা
  • •শিরোমনিতে নিম্ন আয়ের গোষ্ঠীর জন্য আবাসিক এলাকা।
  • •সোনাডাঙ্গায় নিম্ন আয়ের গোষ্ঠীর জন্য আবাসিক এলাকা।
  • •মিররেরডাঙ্গায় নিম্ন আয়ের গোষ্ঠীর জন্য আবাসিকএলাকা।
  • •নিবিড় আবাসিক এলাকা
  • •ময়ূরী আবাসিকএলাকা

এর মধ্যে বিশেষ ভাবে উল্যেখযোগ্য

যা অত্ররও অঞ্চলে আবাসিক সমস্যার সমাধানে এক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে ।

এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সংস্থাটির রয়েছে অগ্রণী ভূমিকা । খুলনার বিভিন্ন অবস্থানে এযাবতকাল প্রায় ৪৭.৭৫ কিঃমিঃ দৈর্ঘ্যের পনেরটি সড়ক নির্মাণ করেছে। এছাড়া আরও ১৪ কিঃমিঃ দৈর্ঘ্যেরচারটি সড়ক নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে ।

এসব রাস্তা নির্মাণ সমূহের মধ্যে রয়েছেঃ

  • কেডিএ অফিস হতে খানজাহান আলী রোড পর্যন্ত (কেডিএ এভিনিউ)
  • কেডিএ অফিস হতে আউটার বাইপাস রোড পর্যন্ত (মজিদ সরণী)
  • বয়রা প্রধান সড়ক
  • আউটার বাইপাস রোড
  • মুজগুন্নি প্রধান সড়ক
  • যশের রোড হতে স্টিমারঘাট পর্যন্ত (জব্বার শ্বরণী)
  • যশোর রোড হতে তেলিগাতী পর্যন্ত সড়ক
  • শিরোমনি শিল্প এলাকায় সড়ক
  • আউটার বাইপাস রোড  এম এ বারি সড়ক
  • রায়ের মহল হতে কৈয়াবাজার সংযোগ সড়ক
  • বাস্তুহারা প্রধান সড়ক হতে সিটি বাইপাস পর্যন্ত সংযোগ সড়ক
  • খুলনা-যশোর রোড এবং সিটি বাইপাস রোডের মধ্যে সংযোগ সড়ক নির্মাণ

সংস্থাটি প্রায় ৬০.৭৪ একর জমি উন্নয়নের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন অবস্থানে বাণিজ্যিক প্লট তৈরী করে জনসাধারণের মধ্যে বরাদ্দ প্রদান করেছে।যার মধ্যে কেডিএ এভিনিউ, মজিদ সরণী, এম এ বারী সড়ক, মুজগুন্নি প্রধান সড়ক, জলিল সরণী ও যশোর রোড পার্শ্বস্থ বাণিজ্যিক এলাকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। শিরোমনিতে ৫৬৮ একর জমি উন্নয়ন করে একটি শিল্প এলাকা স্থাপন করা হয়েছে।  বরাদ্দকৃত  শিল্প প্লটে বিভিন্ন ধরণের শিল্প কল কারখানা গড়ে উঠেছে।এর মধ্যে জুটমিল, সল্ট রিফাইনারি, কংক্রিট পোল প্লান্ট, কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ, ব্যাটারী শিল্প, ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ উল্লেখ যোগ্য।

কেডিএ খুলনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ছয়টি মার্কেট নির্মাণ করে ১ হাজারের অধিক ষ্টল বরাদ্দের মাধমে ব্যবসা/বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টি করেছে ।

  •  কেডিএ নিউমার্কেট
  • কেডিএ রুপসা মার্কেট
  • কেডিএ শিরোমনি  মার্কেট

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত কেডিএ নিউমার্কেট শুধু একটি মার্কেটই নয় বরং খুলনাবাসীর জন্য এটি একটি মিলনকেন্দ্র। এ ছাড়াও সোনাডাঙ্গা এলাকায় ৮.৫০ একর জমি উন্নয়ন করে একটি আধুনিক আন্তঃজেলা বাসটার্মিনাল নির্মাণ করেছে। অফিস ভবন চত্বরে এবং নিউমার্কেট এপ্রচ রোড সংলগ্ন কেডিএ এভিনিউ তে দুইটি কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণকরে কেডিএ নানাবিধ সামাজিক অনুষ্ঠানে জনগণকে ব্যবহারের সুযোগ প্রদান করেছে। একইভাবে নবনির্মিত কেডিএ রেষ্টহাউজ নাগরিক সেবা প্রদানে অবদান রাখছে। ঢাকাস্থ নিকুঞ্জ এলাকায় কেডিএ কর্তৃক একটি নয়তলা লিয়াজো অফিস কাম বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া কেডিএ বেশ কিছু জনকল্যানমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। যার মধ্যেরুপশা নদীর তীরে বীরশ্রেষ্ট রুহুল আমীন এর সমাধি, শহীদ সাংবাদিকদের স্মরণে প্রেসক্লাবে স্মৃতিসৌধ, শিশুপার্ক, মসজিদ ইত্যাদী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২০১০ সালে কেডিএ কর্তৃক খুলনার শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কেডিএ কলেজ প্রতিষ্ঠা করে পরিচালনা করা হচ্ছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী প্রতিশ্রুতি -ডিজিটাল বাংলাদেশ তথা তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক আধুনিক সরকারী সেবা ও দাপ্তরিক ব্যবস্থা বাস্তবায়নের আলোকে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ চালু করেছে বিভিন্ন ধরনের অনলাইন সেবা ।

এর মধ্যে রয়েছেঃ

১. অনলাইনে ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র (NOC)

২. ডিজিটাল আর্কা্ইভস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম

৩. অনলাইনে নকশা অনুমোদন

৪. কেডিএ বাস টার্মিনাল টোল কালেকশন অটোমেশন সিস্টেম

৫. একাউন্টস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম

৬. এস্টেট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম

৭. HR ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম

৮. বায়োমেট্রিক এটেন্ডেন্স সিস্টেম

এছাড়াও নিরবিচ্ছিন্ন অনলাইন পরিসেবা পরিচালনার জন্য কেডিএর রয়েছে নিজস্য সার্ভার সিস্টেম । সাধারন মানুষের জন্য অনলাইন এ এমন সরকারী দাপ্তরিক সেবা জীবনকে করেছে সহজ স্বাচ্ছন্দময়। খুলে দিয়েছে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাড়াবার পথ।

খুলনা অঞ্চলের আবাসন সমস্যার সমাধান ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার শিল্প-কলকারখানা বিকাশ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন সহ নানাবিদ সেবা কার্যক্রমের KDA নিবেদিত।বর্তমানে বেশকয়কটি উল্লেখযোগ্য প্রকল্পয় অনুমদনে বিভিন্য পর্যায় রয়েছে এর মধ্যে শেখ রাসেল সিভিক সেন্টার, ফুলবাড়ি রেল ক্রসিং এ অভারপাস ,বারাকপুর হতে চন্দনী মহল পর্যন্ত সিটি আউটার বাইপাস সড়ক নির্মাণ সেসব প্রকল্প সমূহ বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য।এছাড়াও বেশ কিছু প্রকল্পয় পরিকল্পনাধিন রয়েছে । যার মধ্যে নওয়াপাড়া বাইপাস সড়ক নির্মাণ, রুপসা ও ভৈরব নদী তীরবর্তি রাস্তা এবং ময়ূরী-২ ও নিরালা -২ আবাসন প্রকল্পয় বাস্তবায়ন। খুলনাবাসীর প্রতি আমার আবেদনইমারত নির্মাণ বিধিমালা  মেনে ইমারত নির্মাণ করুনপরিকল্পিত নগরায়নে সহ্যয়তাকরুন  আপনার বিনিয়োগ সুরক্ষিত রাখুন ।

ভবিষ্যতের সকল চ্যালেঞ্জ যেমন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল বা এসডিজি ও ভিশন ২০৪১ এর আলোকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার অংশীদার হিসেবে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ খুলনাকে একটি অত্যাধুনিক পরিকল্পিত নগরীতে রূপান্তরের অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌছাবার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।